স্পিকার ক্লিনারের শব্দ কীভাবে কাজ করে?
ফোনের স্পিকার একটা পাতলা পর্দা (মেমব্রেন), যা সামনে-পেছনে নড়ে শব্দ তৈরি করে। এর সামনের গ্রিলে পানি আটকে থাকলে ফোঁটাগুলো সেই নড়াচড়া চেপে ধরে, আর শব্দ এমন শোনায় যেন ফোন পানির নিচ থেকে কথা বলছে।
165 Hz-এর কাছাকাছি নিচু ফ্রিকোয়েন্সিতে মেমব্রেন কথা বা গানের চেয়ে অনেক বেশি নড়ে। গ্রিল দিয়ে বের হওয়া বাতাস সেই পৃষ্ঠটান ভেঙে দেয় যা ফোঁটাগুলোকে ধরে রাখে, আর পানি বেরিয়ে আসে। Apple Watch-এর Water Lock-ও একই নিয়মে কাজ করে।
গিগি শুধু একটা সুর বাজায় না। পানি মোড 150 থেকে 220 Hz-এর মধ্যে ওঠানামা করে, কারণ প্রতিটা স্পিকার আর গ্রিল একটু আলাদাভাবে সাড়া দেয়, আর মাঝে মাঝে ছোট পালস দেয় যা হালকা ধাক্কার মতো কাজ করে।
কোন মোড বেছে নেবেন?
প্রতিটি মোড আলাদা সাউন্ড প্রোগ্রাম। আপনার ফোনের সাথে যা হয়েছে, সেটা দিয়েই শুরু করুন।
- পানি: বৃষ্টি, পানির ছিটা, গোসল বা সুইমিং পুলের পর। 60 সেকেন্ড।
- ধুলো: শব্দ খসখসে, পাতলা বা আগের চেয়ে কম হলে। 45 সেকেন্ডের ছোট ভাইব্রেশন।
- ডিপ ক্লিন: আগে পানি, তারপর ধুলো, প্রায় 2 মিনিট। সমুদ্রসৈকতে যাওয়ার পর ভালো।
- টোন: টেস্ট বা টিউনিংয়ের জন্য ম্যানুয়াল ফ্রিকোয়েন্সি জেনারেটর।
- টেস্ট: লেফট আর রাইট স্পিকার এবং বেস চেক করুন।
স্পিকার ক্লিনার যা ঠিক করতে পারে না
শব্দ পানি আর আলগা ধুলো নাড়াতে পারে। ছেঁড়া মেমব্রেন, মরিচা, ঢিলা কানেক্টর বা সফটওয়্যারের সমস্যা এতে ঠিক হয় না। এগুলোর কোনোটা দেখলে মেরামতের দোকানে যান:
- ফোন রিস্টার্ট করার পরও একদম শব্দ নেই
- সব ভলিউমে খসখস শব্দ, খুব কম ভলিউমেও
- ফোন অনেকক্ষণ পানিতে ডুবে ছিল, বিশেষ করে সমুদ্রের পানিতে
- পানি ছাড়া অন্য পানীয়: চা, কোমল পানীয় বা জুস আঠালো দাগ রেখে যায়
iPhone, Samsung, Xiaomi আর ব্রাউজার আছে এমন সব ফোনে চলে
ক্লিনারটি Chrome, Safari, Firefox, Samsung Internet আর Edge-এ থাকা Web Audio API দিয়ে চলে। কিছু ইনস্টল করতে হয় না, কিছুই আপলোড হয় না। পেজ একবার লোড হলে ইন্টারনেট ছাড়াও চলে।
এটি ফোনের স্পিকারের জন্য টিউন করা: iPhone, Samsung Galaxy, Xiaomi, Redmi, Realme, Vivo, Oppo, Infinix, Tecno, Walton। ল্যাপটপ বা ব্লুটুথ স্পিকারেও মাঝারি ভলিউমে ব্যবহার করতে পারেন। বর্ষায় ভেজা ফোনের জন্য বিশেষ কাজের।